https://cointelegraph.com/news/bitcoin-bull-trap-3-indicators-that-predict-btc-price-falling-to-24k-27k-this-year
lf you rely on Allah,success will come inshaAllah(so there is no alternative to stick)
Monday, February 14, 2022
সেটাই খুঁজে নিতে হবে, যেটা হবে আপনার ভালবাসা ও ভালোলাগার কাজ, যা করতে আপনি কখনই ক্লান্ত হবেন না।
বিজনেস আইডিয়া কিভাবে পাবেন - ২?
বাংলাদেশে ১৭ কোটি মানুষ - বিশাল বাজার
আপনি যদি একটু চিন্তা করেন, ১৭ কোটি থেকে মাত্র ৫০,০০০ (০.০৩%) বা ১ লাখ মানুষকে কোন কিছুঃ
১। খাওয়াবেন
২। পরাবেন
৩। কোন কিছু ব্যাবহার করাবেন
যা কিছুই দেখবেন শুধু তাকাবেন না, একটু গভীর ভাবে দেখবেন, ভাববেন – এটা কিভাবে তৈরি হল, কোথায় পাওয়া যায়? এটার কাঁচামাল কি? কিভাবে সহজ করে আরও বেশী মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়? এই প্রশ্ন গুলো নিজেকে প্রতিনিয়ত করতে হবে - পেয়ে যাবেন আপনার স্বপ্নের আইডিয়া।
সেটাই খুঁজে নিতে হবে, যেটা হবে আপনার ভালবাসা ও ভালোলাগার কাজ, যা করতে আপনি কখনই ক্লান্ত হবেন না।
পরিশ্রমীরাই সফল হন: “পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি” এই প্রবাদ বাক্যটি অনেকের কাছে বেশ পুরানো মনে হতে পারে। কিন্তু একবার গভীরভাবে চিন্তা করে দেখুন তো- আসলেই পরিশ্রম ছাড়া সাফল্য পাওয়া সম্ভব? আর এটা তো জানা কথা যে, যারা সফল হন তাদেরকেই সৌভাগ্যবান হিসেবে বিচেনা করা হয়। তাই সফলতা অর্জনের উপায় নিয়ে বলতে গেলে পরিশ্রমকে বাদ দেওয়ার কোনো উপায় নেই।
স্বপ্ন দেখতে হবে: স্বপ্নই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। তাই সাফল্যের জন্য বড় স্বপ্ন দেখতে হবে, স্বপ্নের মাঝে বসবাস করতে হবে। বড় স্বপ্ন দেখে সেটি বাস্তবায়নের জন্য রাত-দিন কাজ করা প্রয়োজন। স্বপ্ন দেখে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকলে অবস্থার কোনো পরিবর্তন আসবে না। এজন্য স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে গিয়ে সেসব পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন তা শুরু করে দেওয়ার বিকল্প নেই।
সফলতার উপায় হিসেবে নতুনের ভয়কে জয় করতে হবে: আধুনিক যুগ প্রতিনিয়ত পরিবর্তনের মাঝ দিয়ে যাচ্ছে। নিত্যনতুন প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে সহজ করে তুলছে। এমন সমাজে বসবাস করে নতুনকে ভয় পাওয়া মানে সাফল্যের উল্টো পথে হাঁটা। এজন্য নতুনকে সাদরে গ্রহণ করতে হবে এবং নিজে আরও নতুন কিছু করার চেষ্টা করতে হবে
মোঃ সামসুল দেওয়ান
Sunday, February 13, 2022
যে কোন সমস্যা থেকে আইডিয়া – কেউ দেখছে সমস্যা আর আপনি খুঁজবেন সেখানে “সম্ভাবনা”
“নিজের বলার মতো একটা গল্প” প্লাটফর্ম হতে পারে আপনার বিনিয়োগকারী খুঁজে পাবার অন্যতম একটি মাধ্যম, তবে তা হতে হবে সততা ও বিশ্বস্ততার সাথে। কোন চালাকি করে নয় বা একদিনের জন্য কোন সম্পর্ক করে নয়। তাড়াহুড়ার কিছু নেই এবং নো শর্ট কাটস!
আগে গ্রুপে সবার সাথে চেনা জানা করুন, সময় নিন, বিশ্বস্ততা অর্জন করুন তারপর বন্ধুত্ব গড়ে তুলুন। দেখবেন পার্টনার পেয়ে যাবেন বিনিয়োগ করার জন্য।
ইতিমধ্যেই এই প্লাটফর্মে এর বেশ কিছু প্রমাণ আছে, অনেকেই আগে থেকে কেউ কাউকে কোনদিন চিনতেন না। এখন তারা বিজনেস পার্টনার।
তবে ৫০-১০০ জন পার্টনার নিয়ে কোন বিজনেস করার প্ল্যান শুরুতেই আমি সমর্থন করিনা। আপনি আগে ৫ জন এমপ্লয়ী চালানোর লিডারশীপ অর্জন করুন এবং অন্তত ৫ বছরের বিজনেস করার অভিজ্ঞতা অর্জন করুন, তারপর ৫ জন কেন, পারলে ১৫-২০ জনকে নিয়ে করুন, তারা যদি আপনার প্রোফাইল দেখে বিনিয়োগ করতে চায়, করবে।
তবে এ ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া মানেই ভুল। আগে সম্পর্ক তৈরি করুন, ৬-১২ মাস মেলামেশা ও উঠা বসা করুন, তারপর পার্টনারশিপ করুন।
১০-১৫ জনের বেশী কোন পার্টনারশিপ আমরা এখন এলাউ করবো না। যাকে টাকা দিবেন তার যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা কি আগে জেনে নিন।
৫০০০/১০,০০০/২৫,০০০ টাকা করে নিয়ে ৫০ জন বা ১০০ জনকে একত্র করে ফান্ড কালেকশান করে কোন বিজনেস করার চিন্তা এই প্লাটফর্মে নিষিদ্ধ।
পার্টনার নেয়ার ক্ষেত্রে আপনি আরেকটা আইডিয়া নিয়েও কাজ করতে পারেন। আপনি যদি ৫ জন বিনিয়োগকারী একত্রে বিজনেস করতে চান, চেষ্টা করবেন ৫ জন যেন একটা অফিসের ৫ ধরনের কাজে এক্সপার্ট হয় বা ভালো জানে। যেমন কেউ হয়তো মার্কেটিং ভালো জানে, কেউ হিসাব ভালো বোঝে, কেউ প্রশাসন ভালো চালাতে জানে, কেউ টেকনিক্যাল কাজটা ভাল জানে এবং অন্য জন সেলসে দুর্দান্ত।
এতে ঐ ডিপার্টমেন্ট গুলো চালানোর জন্য আপনাকে কোন লোক চাকুরীতে নিতে হবে না, আপনি নিজেই কাজ করতে পারবেন, এতে পুরো বিজনেসে আপনার ইনভল্ব থাকার সুযোগ হবে।
আপনার আইডিয়া সেল করেও বিনিয়োগকারী নিতে পারেন। অনেকের টাকা আছে কিন্তু আপনার মতো আইডিয়া নেই বা সেটা বাস্তবায়ন করার সময় বা সামর্থ্য নেই, হয়তো তিনি আপনাকেই খুঁজছেন !
আর এই প্লাটফর্মে আপনার পণ্য বা সার্ভিস বিক্রি করার সুযোগ তো থাকছেই।
শেখা, পার্টনার পাবার সুযোগ, ব্যবসা করা এবং কেনাবেচার সুযোগ সব একসাথে একই প্লাটফর্মে, এরকম সুযোগ আমাদের দেশে আর কোথাও নেই !
বিজনেস আইডিয়া কিভাবে পাবেন?
১। আপনার চারপাশে অসংখ্য ঘটনা ঘটছে, চোখ রাখুন
২। যে কোন সমস্যা থেকে আইডিয়া – কেউ দেখছে সমস্যা আর আপনি খুঁজবেন সেখানে “সম্ভাবনা”
৩। আপনার কোন সখ থেকে বিজনেস আইডিয়া
৪। আপনার এলাকায় সবচেয়ে বেশী উৎপাদিত হয় কোন পণ্যটি? সেটাকে নিয়ে প্ল্যান করা।
৫। অন্যরা ব্যাবহার বা ভোগ করছে অথচ আপনার এলাকায় এখনো শুরু হয়নি সেটা কোন পণ্য বা সেবা?
৬। বাজারে আছে কিন্তু আপনারটা ব্যতিক্রম ও সহজ লভ্য করে আইডিয়া বের করা।
৭। দেশী (ও পারলে বিদেশী) মেলায় অংশ গ্রহণ করুন।
আপনার মধ্যে ভাবনা শুরু হবে...
মোঃ সামসুল দেওয়ান
Saturday, February 12, 2022
. সাফল্য কিংবা ব্যর্থতাই জীবনের সবকিছু না। সময়কে নান্দনিক উপায়ে রাঙিয়ে বেঁচে থাকাই জীবন।
ঘড়ির কাঁটা থেমে নেই। প্রতিটি মুহূর্তেই জীবন থেকে একটি একটি করে সেকেন্ড হারিয়ে যাচ্ছে। যারা সেকেন্ড ধরে ধরে জীবনকে রাঙাতে পারে তারাই একসময় সাফল্যের শীর্ষে পা রাখে। প্রতিটি মুহূর্তকে রাঙিয়ে জীবনকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই সংগ্রাম। সেই সংগ্রামের গল্প মানুষ আর মননভেদে নানা রকম। একেক জনের গল্প একেক রকম হলেও সবার জীবন সামনে এগিয়ে চলছে। কেউ বা ধীরে আবার কেউ বা দ্রুত-সবাই সামনে এগোনোর প্রচেষ্টায় প্রহর গুনছে। জীবন থেকে কিছু বাস্তব শিক্ষা নিতে পারেন।
১. জীবন সব সময়ই সচল। আপনি এখন যে কর্মস্থলে কাজ করছেন ভাবছেন আপনি ছাড়া সব অচল। আসলে কিন্তু না। আপনি যদি আজ কাজ ছেড়ে দেন তাহলে কর্মস্থলে সাময়িক সমস্যা তৈরি হবে, কিন্তু খুব দ্রুত আপনার উপস্থিতি সবাই ভুলে যাবে। তেমনি আজ আপনি হয়তো বন্ধুমহলে বেশ জনপ্রিয়। আপনাকে ছাড়া কোনো আড্ডাই জমে না। জেনে রাখুন, আপনি না থাকলেও আড্ডার রং কোনো অংশেই মলিন হবে না।
২. কোনো কিছুই জীবনে চিরস্থায়ী নয়। আবেগ, অনুযোগ কিংবা অভিযোগ-কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়। সামাজিক সম্পর্কগুলো সব সময়ই এক রকমের গাঢ় হবে না। আজ আপনার কাছে যাকে ভালো লাগছে, কালকে তাকে আপনার ভালো না-ও লাগতে পারে। আজ যিনি প্রশংসা করছেন, কাল তিনি আপনার কঠোর সমালোচক হতেই পারেন।
৩. নিজেকে কখনোই অন্যদের সঙ্গে তুলনা করবেন না। নিজেকে নিজের সঙ্গে তুলনা করতে শিখুন। বন্ধুর ভালো চাকরির খবর শুনে নিজেকে হেয় করবেন না, বন্ধু উৎসাহ দিয়ে নিজের পথ গোছানোর চেষ্টা করুন।
৪. আর্থিক স্বাধীনতা আপনার জীবনে স্বাচ্ছন্দ্য এনে দেয়। ধার করার অভ্যাস কিংবা ঋণে নিজেকে জড়াবেন না। চেষ্টা করুন নিজের হাতে আয় করতে। যতটা আয় করবেন, তা বুঝে ব্যয় করতে শিখুন। প্রয়োজনের বাইরের ব্যবহারের জিনিসপত্র কেনা থেকে বিরত থাকুন। অভিজ্ঞতা অর্জনের চেষ্টা করুন। দামি মুঠোফোনে যতটা আনন্দ মেলে হয়তো মঞ্চনাটক দেখার অভিজ্ঞতা আরও আনন্দ দেবে। বস্তুগত আনন্দের চেয়ে অভিজ্ঞতা, স্মৃতি জমানোর দিকে মনোযোগ দিন।
৫. যত বড়ই দুঃখ আসুক না কেন, তা মলিন হবেই। প্রেমিককে হারানোর বেদনা, ভালো চাকরির সুযোগ বা পরীক্ষায় ভালো ফল-নানা কারণে ব্যর্থতা আর শোক জীবনে আসতে পারে। জেনে রাখুন, সব দুঃখই ধীরে ধীরে হালকা হতে থাকে। একদিন সব দুঃখ কাটিয়ে সাধারণ জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি আমরা।
৬. শুধু পরিশ্রমেই জীবনে সাফল্য আসে না। পরিশ্রমের সঙ্গে বুদ্ধিবৃত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সৃজনশীলতাকে যোগ করতে হয়। বছরের পর বছর একই কাজ করতে করতে জীবনকে কখনোই একঘেয়েমির বৃত্তে আটকে ফেলবেন না। সিদ্ধান্ত নিয়ে ঝুঁকি নিতে শিখুন। ঝুঁকি নেওয়ার একটা সুবিধা হচ্ছে, আপনি জানেন না সামনে কী আসবে। এই অচেনা আর অজানা পথ সামনে নতুন দ্বার খুলে দেয়।
৭. সাফল্য কিংবা ব্যর্থতাই জীবনের সবকিছু না। সময়কে নান্দনিক উপায়ে রাঙিয়ে বেঁচে থাকাই জীবন।
৮. অন্যের মতামতকেই জীবনের সব বলে ভাববেন না। একই বই কারও কাছে ভালো লাগতে পারে, কারও কাছে খারাপ লাগতে পারে। তেমনি আপনার কাজ কারও কাছে ভালো লাগতে পারে, কারও কাছে খারাপ লাগতে পারে-সব সময় নিজের সঙ্গে বোঝাপড়ার মাধ্যমে কাজ করুন।
৯. মুঠোফোন বা সামাজিক দুনিয়াই জীবনের সব না। বন্ধুর সাফল্যের ছবি ফেসবুকে দেখে মন খারাপ হতেই পারে আপনার। আবার দিনের অনেকটা সময় মুঠোফোনের পেছনে ব্যয় করার ফল কিন্তু ইতিবাচক হয় না। নিজের দক্ষতা বাড়ানোর চেষ্টা করুন। নিজের শখকে গুরুত্ব দিন।
১০. নিজের পথ নিজেকেই চলতে হয়। অন্যরা আপনাকে দারুণ পছন্দ করে হয়তো, কিন্তু দিন শেষে আপনার পথ আপনাকেই অতিক্রম করতে হবে। প্রত্যেক মানুষের এগিয়ে চলার গল্প, কষ্টের গল্প ভিন্ন হয়-তাই আপনাকে কেউ এগিয়ে নেবে তা ভেবে কখনোই বসে থাকবেন না।
মোঃ সামসুল দেওয়ান
Friday, February 11, 2022
কোটি টাকার মূলধন আছে আপনার কাছে – নিজের দিকে তাকান
Thursday, February 10, 2022
ছোট ছোট সম্পর্ক গুলুও একসময় জীবনে অনেক বড় পরিবর্তন নিয়ে আসে
ছোট ছোট সম্পর্ক গুলুও একসময় জীবনে অনেক বড় পরিবর্তন নিয়ে আসে, যা হয়তো আপনি কোনদিন কল্পনাও করেননি। তার জন্য প্রয়োজন সততা ও লেগে থাকা, এটা শুধু অর্থনৈতিক সততা নয়, সম্পর্কের সততা ও কমিটমেন্ট।
আজকাল বন্ধুত্ব বা প্রেমের সম্পর্ক সেখানেও স্বার্থ খোঁজে, স্বার্থ শেষ হলে কেটে পড়ে, প্রয়োজন ও স্বার্থ ছাড়া কেউ কারো সাথে নুনতম সম্পর্কও করে না – এটা ভুল পুরাটাই ভুল। স্বার্থের কোন সম্পর্ক বেশী দিন টিকে না।
আমার জীবনে অনেক শত মানুষের সাথে ভালো পরিচয় ও সম্পর্ক আছে, যার সাথে স্বার্থের কোন সম্পর্ক নেই – হ্যাঁ একটা স্বার্থ আছে, তা হল ভালোলাগা।
কোন কোন সম্পর্ক আপনাকে হয়তো নগদ কিছু দিবে না কিন্তু কোন একটা সময় এমন একটা সুযোগ সামনে নিয়ে আসবে যেটার জন্য নিজের সততার সম্পর্ক ছাড়া আর কিছুই করেননি বা চাননি।
একটু ভাবুন, আপনি কাউকে কোন কাজ দিবেন বা চাকরীর জন্য রেফার করবেন বা কাউকে চাকরী দিবেন বা কাউকে বিজনেস পার্টনার করবেন এমনকি বিয়ে দিবেন/করবেন – আপনি কিন্তু আপনার পরিচিতদের মধ্যে সেই মানুষটাকেই খুঁজবেন যে সৎ, যার ব্যবহার ভালো, যে স্মার্ট ও যার কমিটমেন্টে কোন ভেজাল পান নাই।
এটা কিন্তু একটা বিরাট যোগ্যতা – এটাকে ধারণ করুন আজীবন। এটাও একটা নেটওয়ার্কিং!
আপনার স্বপ্ন পূরণে ও এগিয়ে যাবার প্রতিটি ধাপে এই সম্পর্কগুলু কাজে লাগবে।
ফান্ডের জন্য যেভাবে এগুতে হবেঃ
১। একটা প্রোজেক্ট প্রপোজাল বা বিজনেস প্ল্যান বানাতে হবে (এটা কিভাবে তৈরি করতে হবে তা আমি ক'দিনের মধ্যেই শিখাবো)।
২। এই প্রোজেক্ট প্রপোজাল আপনার পরিবার, আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব, বন্ধু বান্ধবদের বন্ধু বান্ধব, ও আপনার এতদিনের নেটওয়ার্ক – যাকে আপনার কাজে লাগবে তাদের কাছে আপনার আইডিয়া সেল করতে হবে ফান্ডের জন্য।
৩। আপনি যেহেতু সৎ ও আপনাকে বিশ্বাস করা যায়, আপনি পরিশ্রমী, আপনি কমিটমেন্ট যে কোন মূল্যে রাখেন এবং আপনার বিজনেস আইডিয়া ভালো, আপনাকে বিজনেস করার জন্য তারা টাকা দিবে পার্টনার হিসাবে।
৪। আপনি সেলসে ভালো, আপনার কোন বন্ধু বা আত্মীয় একাউন্টিং এ ভালো, অন্যজন লিডারশীপ/ম্যানেজমেন্ট ভালো, আরেকজন টেকনিক্যাল/ডিজিটাল সাইডে ভালো এবং পঞ্চম জনের কাছে ফান্ড আছে – আপনারা খুঁজে এই ৫ জন মিলে বিজনেস শুরু করতে পারেন।
৫। ছাত্র জীবন থেকেই টিউশানি করে বা পার্ট টাইম কাজ করে বিজনেসের প্রাথমিক পুঁজি সংগ্রহ করতে পারেন।
৬। যারা চাকরী করছেন তারা মাসে মাসে কিছু সেভিংস করে এবং ৫.০০ টার পর অন্য কোন পার্ট টাইম কাজ করে মুল্ধন জোগাড় করতে পারেন।
মোঃ সামসুল দেওয়ান
Wednesday, February 9, 2022
জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে ভালোমানুষ হওয়া।
স্বপ্ন দেখুন, সাহস করুন, শুরু করুন এবং "লেগে থাকুন"...... সফল হবেনই - এটা আমার প্রিয় একটা শ্লোগান।
কারো কারো দেখবেন, স্বপ্ন আছে, সাহস আছে, শুরুও করে দেন কিন্তু "লেগে থাকতে" পারে ন। এটা অনেকেরই সমস্যা!
এটার একটাই ফর্মুলা জানা আছে আমার কাছে, যা আমি করিঃ
"কাজের প্রেমে পড়তে হবে ...... কাজটাকে ভালবাসতে হবে।"
কাজটা করতে যেন আপনি ক্লান্ত না হন। কাজের প্রতি একটা ভালোলাগার চর্চা ও যত্ন করতে হবে। আপনার নিজেকে প্রমাণ করতে হবে যে, ঐ কাজটাতে সফল না হওয়া পর্যন্ত আপনি লেগে থাকবেন। স্বপ্নটা লালন করতে হবে সবসময়।
একটা সময়ে এমনও আপনার মনে হতে পারে যে, এই কাজে আর সফল হওয়া সম্ভব নয়। তখন আবার নতুন কোন স্বপ্ন নিয়ে শুরু করবেন... কিন্তু স্বপ্ন দেখা বন্ধ করা যাবে না কখনো।
এটা কখনো ভাববেন না যে ঐ সময়টা আপনার নষ্ট হয়েছে বা ঐ সময়টাতে আপনি অসফল হয়েছেন। মোটেই না, আপনি এর মধ্য দিয়ে ব্যাপক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। যেটা আপনার পরবর্তী প্রোজেক্ট দ্রুত বাস্তবায়ন করতে সাহায্য করবে।
হয় জিতবেন অথবা শিখবেন, হারবেন না কখনো, সুতরাং কখনো থেমে যাওয়া যাবে না।
জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে ভালোমানুষ হওয়া।
আপনার আশেপাশে মানুষ আপনাকে ভালো বলবে, ভালো জানবে - এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি জীবনে আর কি আছে! আপনার হয়তো অনেক সাফল্য অনেক, অনেক খ্যাতি আছে কিন্তু আপনি ভালো মানুষ নন বা আপনাকে কেউ ভালো বলে না - সব অর্জন বৃথা।
সাফল্য এবং ভালোমানুষ হওয়া দুটো একসাথেই দরকার। ভালোমানুষ হঠাৎ হঠাৎ বা কখনো কখনো হওয়া যায় কিন্তু এটা ধরে রাখার জন্য অনেক ত্যাগ ও ধৈর্য প্রয়োজন যা অনেক কষ্ট সাধ্য ব্যাপার। শুধুমাত্র ভালোমানুষরাই জীবনে বুক ফুলিয়ে চলতে পারে।
এটা যদি এতো সহজ হতো তবে একটি খারাপ মানুষও খুঁজে পাওয়া যেত না। কিছু বলার বা করার আগে নিজের বিবেককে জিজ্ঞেস করতে হবে - এটা ভালো না মন্দ। নিজের মনের কাছে নিজেকে ভালমানুষ হতে হবে।
ভালোমানুষদের সফলতা পেতে হয়ত একটু বেশী পরিশ্রম ও কষ্ট করতে হয় কিন্ত টিকে থাকে আমৃত্যু। সবচেয়ে বড় কথা তারা জীবনে সুখী হয়।
আমাদের এই ৪০০,০০০ জন মানুষের পরিবারের প্রথম আইডেটিটি হবে আমরা প্রত্যেকে এক “এক জন ভালোমানুষ”।
প্রতিযোগিতা যদি করতে হয় তবে তা হবে, “কে কার থেকে বেশী ভাল? কে কার থেকে বেশী বিনয়ী?”। আপনার সফলতা কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না।
মোঃ সামসুল দেওয়ান
Tuesday, February 8, 2022
পার্ট টাইম কাজ কি কি করা যেতে পারে? কোথায় করবেন?
পার্ট টাইম কাজ কি কি করা যেতে পারে? কোথায় করবেন?
১। পার্ট টাইম কাজ হিসাবে রেস্টুরেন্ট/ফাস্ট ফুড শপে পার্টটাইম সার্ভিস, ফার্নিচারের দোকান, ফাস্ট ফুডের দোকান, ঔষধের দোকান, ই-কমার্স কোম্পানিতে পার্ট টাইম জব, ইলেক্ট্রনিক পণ্যের শো রুম বা কোন দোকানের সেলসম্যান, পাঠাও, পণ্য ডেলিভারি, হোম ডেলিভারি, টিউশানি ইত্যাদিতে চেষ্টা করতে পারেন। খুঁজতে হবে সবসময়।
২। ওয়েব ডিজাইনইং, Outsourcing/Freelancing এর কাজ শিখুন - ঘরে বসে আয়ের একটা সুযোগ তৈরি হবে।
৩। সারা বছর নানান দিবস থাকে, ঈদ, বৈশাখ, বাবা/মা দিবস, ভালোবাসা দিবস, বিজয় দিবস, ভাষা দিবস, পূজা, আমের সিজন ইত্যাদি দিবস ও সময়কে মাথায় রেখে আপনি ছোট ছোট পার্ট টাইম বিজনেস প্ল্যান করতে পারেন এবং ব্যবসার হাতে-খড়ি নিতে পারেন। তাতে আপনার বিজনেস শেখা যেমন হবে তেমনি কিছু লাভও আসবে।
৪। এমনকি কেউ টাকা না দিতে চাইলে ফ্রি তে হলেও কাজ করুন অন্তত ৬ মাস। অনেক স্কিলস শিখে যাবেন এবং বিজনেস আইডিয়া ও নেটওয়ার্ক তৈরি হবে।
আমি আমার জীবনে ৬ মাস ফ্রিতে কাজ করেছি একটা অফিসে, কাজ শেখার জন্য এবং আরো বেশ কিছু পার্ট টাইম কাজ করেছি। যার কারণে আমার প্রথম চাকরী পেতে ১ দিনও বসে থাকতে হয়নি।
আমিও আমার বিজনেসের প্রাথমিক মুল্ধন জোগাড় করেছি পার্টটাইম কাজ করে।
ভাগ্য, চমক, মিরাকল এগুলো আমরা সবাই পেতে চাই – সবার জীবনে।
কোন কিছু না পেলে বা না পারলে আমরা ভাগ্যকে দোষ দেই – আপনি কিন্তু নিজেকে প্রশ্ন করেন না, কেন পারলেন না? কি কি কারণ ছিল তারও কোন বিশ্লেষণ নেই, দোষ শুধু ভাগ্যের।
আবার যখন কোন কিছু পেয়ে যান, বলেন it’s miracle in my life – নিজের যোগ্যতার উপরও ভরসা নেই। স্মার্ট ওয়ার্ক আপনাকে একটা জায়গায় নিয়ে যাবে কিন্তু কোন কোন চমক বদলে দেবে আপনার জীবন।
আপনার কষ্ট দেখে আপনার মা-বাবা কতবার কেঁদেছেন, মনে আছে? মনে আছে আপনার ছোট্ট একটা খুশির খবর শুনে খুশিতে তারা কত ফোটা চোখের জল টপ টপ করে ফেলে দিয়েছেন?
গ্রামের বাড়ি থেকে বেড়ানো শেষে বা যখন পড়াশুনা বা কাজের জন্য আবার চলে আসছেন, পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখলেন বারবার হাত দিয়ে সেই বাব-মা অনবরত চোখ মুছছেন। এই চোখের পানির প্রতিটি ফোঁটায় লুকিয়ে আছে আপনার জন্য আজস্র দোয়া ও ভালোবাসা।
মা ফোন করলে, অনেক সময় আমরা ব্যস্ত আছি পরে ফোন করো... কিসের এতো ব্যস্ততা, কার জন্য এই ব্যস্ততা ! আরে আপনি তো জানেনই না, মা আপনাকে ফোন করে কয়েক সেকেন্ডের জন্য থামিয়ে দিয়েছে, যার কারণে সেকেন্ডের ব্যাবধানে রাস্তায় আপনি বড় কোন এক্সিডেন্ট থেকে বেঁচে গেলেন, উপর থেকে ইটটা অল্পের জন্য আপনার মাথার উপর পরে নাই!
আপনার জীবনে যদি কোন ভাগ্য, চমক, মিরাকেল ঘটে থাকে, তা ঘটেছে শুধুমাত্র মা-বাবার দোয়ার কারণে।
সেই বাবা-মার জন্য আমরা কি বা করতে পারছি বা পেরেছি? এই প্রশ্ন নিজেকে করা দরকার। তারা চায় ভালোবাসা। কেউ কেউ চাইলেও পারছেন না কারণ চলে যে গেছেন অকালে বহু দূর না ফেরার দেশে। যাদের বাবা-মা এখনো জীবিত তারাই প্রকৃত ভাগ্যবান।
মা-বাবার মুখের হাসিই আপনার জীবনের একমাত্র চমক।
মোঃ সামসুল দেওয়ান
Monday, February 7, 2022
প্রত্যেক মানুষের জীবনে সাকসেসের পিছনে একটা টার্ননিং পয়েন্ট থাকে, একটা ছোট গল্প থাকে।
বিয়ের খরচের কিছু টাকা কমিয়ে স্টার্টআপ ফান্ডিং
কিছু কিছু নিয়ম তরুণদের ভেঙ্গে ফেলতে হবে...
মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও নিন্মবিত্ত পরিবারে শুধু নিয়ম রক্ষার স্বার্থে বিয়ের খরচের নামে তার কোমর ভেঙ্গে দেয়া হয় ক্যারিয়ারের শুরুতেই। কেন এক একটা বিয়েতে এত টাকা খরচ? লোক দেখানো? অন্যদের খুশী করার জন্য?
লোণ নিয়ে অথবা এতদিনের সমস্ত সঞ্চয় বিলিয়ে দিয়ে বিয়ের এত আয়োজন কেন? বিয়ের ৩ মাস পর আপনার সংসারের মাসের খরচের টাকা মিটাতে যখন আপনি হিমশিম খান বা খাবেন, তখন ঐ আনন্দের লেশ মাত্র আপনাকে স্পর্শ করবে?
আমি মোটেও বলছি না যে আপনি বিয়েতে খরচ করবেন না। কিন্ত যা হচ্ছে সবার মন রক্ষার্থে, তার তিন ভাগের একভাগ খরচ করেও বিয়েতে আনন্দ করা যায়। বরং ঐ টাকাটা আপনি নিজে বা আপনার বাবা-মাকে বলতে পারেন, বিয়েতে কম খরচ করে ঐ টাকাটা আপনাকে দিতে, যা আপনি আপনার নতুন বিজনেসের মুল্ধন হিসাবে কাজে লাগাতে পারেন। শুরু করতে পারেন নতুন একটা কিছু।
যাদের অনেক টাকা আছে তাদেরকে কিছু বলছি না, তবে আপনিও ভাবতে পারেন, কিছুটা কম খরচ করে বাকী টাকাটা দিয়ে কোন অসহায় মানুষকে একটা ঘর করে দেয়া যায় কিনা বা একটা অসহায় বাবার মেয়েকে বিয়ের খরচ দিয়ে দেন। এটা করে আপনার বিয়েতে ২০০০ লোক খাওয়ানোর চেয়ে বেশী আনন্দ পাবেন।
আপনি হয়ত বলবেন, বিয়ে তো মানুষ জীবনে একবারই করে! এটা মনে রাখার জন্য একটু আড়ম্বর হওয়া দরকার। বিয়ে বা হানিমুন একদিনের কোন বিষয় নয়। জীবনটা সেভাবে সাজানো উচিৎ যাতে সারাজীবন ভালো থাকা যায় ও একসাথে থাকা যায়।
জানেন তো সংসারে অভাব থাকলে ভালবাসা জানালা দিয়ে পালায়। এটা আপনি আপনার হবু বউের সাথে ও আলাপ করতে পারেন। সে যদি আপনাকে ভালোবাসে, নিশ্চয়ই একমত হবে।
আপনার ঐ একদিনের আড়ম্বর আপনাকে সারাজীবন ভালো থাকা থেকে বঞ্চিত করতে পারে। বিয়েতে কম খরচ করে ওটাকে আপনার বিজনেসের জন্য প্রাথমিক মুল্ধন হিসাবে নিয়ে, নিজের কিছু একটা শুরু করুন।
৫ বছর পর, প্রতি বছর আপনার ম্যারেজ ডে করুন, ঘুরতে যান, প্রতি মাসে হানিমুন করুন কারণ তত দিনে আপনি শক্ত হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে যাবেন।
একদিনের জন্য যাকে সাজাতে চাচ্ছেন, এমন কিছু করুন যাতে তাঁকে প্রতিদিন যাতে সাজিয়ে রাখতে পারেন
প্রত্যেক মানুষের জীবনে সাকসেসের পিছনে একটা টার্ননিং পয়েন্ট থাকে, একটা ছোট গল্প থাকে।
আমার জীবনেও একসময় অনেকেই মনে করতো আমাকে দিয়ে কিছু হবে না! অনেক কষ্ট পেতাম, নিজেকে আয়নায় দেখে মনে হতো এটা তো আমি নই। ইঞ্জিনিয়ার হবার স্বপ্ন ছিল, চান্স পাইনি। তারপর মাস্টার্স ও সিএ পড়লাম, এরপর এমবিএ। ক্যারিয়ার শুরু করলাম হিসাব বিভাগে, ভালো লাগলো না, তারপর মার্কেটিং অবশেষে উদ্যোক্তা।
গ্রামীণ সাইবারনেট আমার জীবনের প্রথম চাকুরী। চাকুরীর ৩ মাস বয়সে আমি বিয়ে করে ফেলি। গ্রামীণ সাইবারনেট এ চাকুরী না করলে ইন্টারনেট তথা তথ্য প্রযুক্তিটা ভালো করে শিখা হতো না বা প্রযুক্তির প্রতি একটা ভালবাসা তৈরি হতো না । গ্রামীণ সাইবারনেট এ আমি ছিলাম আকাউনটস ম্যানেজার হিসাবে।
মাথার মধ্যে একটা স্বপ্ন সব সময়ে তাড়া করতো, নিজের একটা কোম্পানি থাকতে হবে, সেখানে অনেক মানুষ কাজ করবে। ৫ বন্ধু মিলে এরকম একটা স্বপ্নের বাস্তবায়ন শুরুও করে দিয়েছিলাম। কিন্তু কেউ আর চাকরী ছাড়তে রাজি না হওয়ায়, তা শুধু স্বপ্নই রয়ে গেল।
গ্রামীণ সাইবারনেটে জব না করলে অপটিম্যাক্স কমিউনিকেসান লিমিটেড হতো না । গ্রামীণ সাইবারনেট না ছাড়লেও অপটিম্যাক্স হতো না, তাহলে হয়তো গ্রামীণ সাইবারনেটেই বা অন্য কোথাও জব করা হতো ।
তারপর গেলাম গ্রামীণ শক্তিতে অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার হিসাবে । গ্রামীণ শক্তিতে না গেলে অপটিম্যাক্স হতো না কারণ ওখানে গিয়ে স্বপ্ন সত্যি করার কাজ শুরু করি। তারপর আর থামতে হয় নি।
তারপর শুরু হল অপটিম্যাক্স এর যাত্রা যা আমার ব্রেইন চাইল্ড। কিন্তু যাত্রাটা অতটা শুভ ছিল না। ১৮ মাস এর মাথায় কোম্পানি বন্ধ হবার উপক্রম হল। যারপর নাই চ্যালেঞ্জ নিয়ে ও অস্বাভাবিক পরিশ্রম করে ও মেধা খাঁটিয়ে আবার হাটি হাটি পা পা করে পরবর্তী ২-৫ বছরে ঘুরে দাঁড়ালাম। যে কোম্পানির বয়স এখন ১৭ বছর।
মাঝখানে কিছুদিন সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেড এ জব করেছি জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে । উদ্দেশ্য ছিল মাল্টিনেশানাল কোম্পানিতে জব এর স্বাদ নেয়া ও কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডের কিছু অভিজ্ঞতা অর্জন করা।
এটা ছিল অপটিম্যাক্স এর শুরুর দিকে। তখন আমি সিঙ্গার বাংলাদেশ এ জব ও অপটিম্যাক্সের কাজ দুটাই একসাথে করতাম। প্রতিদিন গড়ে ১২-১৪ ঘণ্টা কাজ করতাম, এখনো তাই করি। সিঙ্গার বাংলাদেশের জবে আমার অভিজ্ঞতা অপটিম্যাক্সের গ্রোথ এ অনেক বেশী সাহায্য করেছে।
মাঝখানে আরও একটা কোম্পানি তৈরি করেছিলাম, অতিমাত্রায় আয় রোজগারের সম্ভবনা দেখা দেয়ায়, দ্রুত ঐ কোম্পানি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেই, কারণ সবসময় সৎ থাকতে বাবা শিখিয়েছেন। বুক ফুলিয়ে চলার আশায় ভালোমানুষ হবার লোভটা সবসময় জাগিয়ে রেখেছি।
বেশ কয়েকবার দেশের বাইরে সেটেল হবার সুযোগ থাকলেও যাইনি। কারণ আমার দেশে থাকতেই বেশী ভালো লাগে কিউট যতসব সুবিধা ও অসুবিধা নিয়ে। একদিন ফুড়ুৎ করে মরে যাবো – মনে রাখার মতো কিছু একটা তো করা দরকার।
জীবনের লক্ষ্য ঠিক করে ফেলেছিলাম চাকরী করবো না, চাকরী সৃষ্টি করবো। জীবনে সফলতা মানে শুধু বাড়ি, গাড়ী ও টাকা নয়, সফলতা মানে সুশিক্ষা, সুস্বাস্থ্য, সুখ ও সম্পদ আর একজন ভালোমানুষ। আজ আমি ২০০টি পরিবারের হাসি মুখ প্রতিদিন দেখতে পাই – এটাই আমার কাছে সফলতা।
আমার উদ্যোগগুলুর সর্বশেষ সংযোজন আলাদীন ডট কম ও ইউটিভি এন্টারটেইনমেন্ট ডট কম। প্রযুক্তির মাধমে একটু অন্যরকম সেবা দেয়ার প্রত্যয়। আমার কাছে এখন নতুন কিছু করা মানে নিজের সাথে আরও কিছু মানুষকে স্বপ্ন দেখানো।
নিজে স্বপ্ন দেখি ও তরুণদের স্বপ্ন দেখাই – এটা আমার সামাজিক দায়বদ্ধতা যা আমি কোন প্রকার পারিশ্রমিক ছাড়া করি এবং অনেক সময় দিই। গত আড়াই বছরে প্রায় ৪০০,০০০ জন তরুণের মাঝে এই স্বপ্ন ছড়িয়ে দিতে পেরেছি – এটাই বিশাল প্রাপ্তি। তাঁদের মধ্যে ৩০০০ জন উদ্যোক্তা/ব্যবসায়ী হয়ে এখন অন্যদেরকে চাকরী দিচ্ছে।
এই স্বপ্ন এখন আরও অনেক বড় হয়েছে। আগামী ১ বছরে মোট ১০,০০০ জন উদ্যোক্তা/ব্যবসায়ী তৈরি করবো – তাঁরা একদিন ১০০,০০০ মানুষের কর্ম সংস্থান তৈরি করবে। এবং নেটওয়ার্ক তৈরি করবো ৫০০,০০০ ভালোমানুষ ও পজিটিভ মানুষের।
আর টিভি নিউজ প্রেজেনটেশান ও বিজনেস প্রোগ্রাম উপস্থাপনা, ওটাতো শখ করে করা।
এসএসসি পাশ করেই চামেলি আমার জীবনে চলে আসে, আমাদের বিবাহ হয়। তারপর তার এইসএসসি, গ্রাজুয়েশান, মাস্টার্স, ফ্যাশান ডিজাইনিং, আবার এমবিএ করে আমার পাশে পাশে থেকেই। এখন সে একটা অফিসের সিইও আর এটিএন বাংলা টিভি নিউজ প্রেজেণটার। আমার বউ – চামেলি আমার জীবনে না এলে এবং ওর সহযোগিতা না পেলে আমার জীবনে কিছুই হতো না।
সিঙ্গার বাংলাদেশে যোগ দেয়ার ৬ মাসের মাথায় ও অপটিম্যাক্সের শুরুর দিকের মারাত্মক ক্রাইসিসের সময় আমার প্রাণ প্রিয় বাবা মারা গেলেন । আমার চারিদিকে যেন শুধু অন্ধকার । তারপর থেকে আমার মা আমার কাছে । এই ২জন মানুষের দোয়া আমার জীবনের সব সফলতার চাবিকাঠি ।
জীবনের প্রায় সকল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় দ্বিতীয় শ্রেণী পেলেও ক্যারিয়ার, পরিবার, আত্মীয় পরিজন ও বন্ধু বান্ধব ও নিজের কাছে প্রথম শ্রেণীতে থাকাটা কখনো হাত ছাড়া করিনি।
সর্বোপরি আমার কাছে সফলতা মানে খুশি থাকা।
এখন আপনাদের নিজের বলার মত একটা গল্পের জন্য লেগে থাকা দরকার।
মোঃ সামসুল দেওয়ান
Sunday, February 6, 2022
সফলতা হচ্ছে ৪ “স” – সুশিক্ষা, সুস্বাস্থ্য, সুখ ও সম্পদ।
সফলতা হচ্ছে ৪ “স” – সুশিক্ষা, সুস্বাস্থ্য, সুখ ও সম্পদ।
এই ৪টি যখন একসাথে আপনার জীবনে চলমান থাকে তখন আপনি সফল। এই ৪টির ১টিও অনুপস্থিত মানে আপনি সফল নন।
একটা মানুষের জীবনের সফলতার পিক আওয়ার হচ্ছে ২২-৫৫ বছর (কমবেশি হতে পারে), তাই এটা ভাবা উচিৎ নয় যে আপনি সবসময় সফল থাকবেন – এটা বাস্তবও নয়, সম্ভবও নয়।
উপরে উঠলে নিচে নামতেই হবে, নিচে নামা মানে নেমে যাওয়া নয়, আবার উঠার জন্য বিশ্রাম নেয়া। সফলতা এঞ্জয় করারও সময় দরকার। একজন প্রতিনিয়ত সফল মানুষ কখনো তার সফলতা এঞ্জয় করতে পারে না।
সুতরাং শুধু সম্পদ, বাড়ী-গাড়ী বা টাকা বা বড় চাকরী বা বড় বিজনেস মানেই সফলতা নয়। আপনার অনেক টাকা আছে কিন্তু কোনদিন কোন মানুষের জন্য কিছু করেননি বা করার সুযোগ হয়নি – এটাকে সফলতা বলে না। এটা দিয়ে আপনার জীবনে কোনদিন গল্প লেখা হবে না।
আপনি জীবনে যদি আপনি অন্তত একটা মানুষেরও কোন কাজে না আসেন, বা তার জীবন গড়তে এতটুকু সাহায্য না করেন বা একটা অসহায় বাচ্চার লেখাপড়ার দায়িত্ব না নেন, বা অন্তত এক ব্যাগ রক্ত দিয়ে কারো জীবন না বাঁচান – এই জীবন বেঁচে থাকা নয়!
আপনার সুশিক্ষা আছে, সম্পদও আছে কিন্তু স্বাস্থ্য ভালো নেই, নিজের শরীরের যত্ন নেন না, আপনি কোনদিন সুখ পাবেন না। সুতরাং কাজ করতে হলে সব সময় শরীরের যত্ন নিতে হবে। আর শুধু শিক্ষা নয় দরকার সুশিক্ষা।
জীবনের সবচেয়ে বড় সফলতা হচ্ছে খুশি থাকা। আর একজন ভালমানুষই জীবনে বেশীর ভাগ সময় খুশী থাকতে পারে।
বিজনেসের মূলধন বা ফান্ড কিভাবে জোগাড় করবেন?
প্রথমেই ব্যয় থেকে সঞ্চয় ঃ
স্টার্টআপ ফান্ডিং আইডিয়া ১ – ডেইলি সেভিংস
প্রতিদিন ১০০ বা ২০০ টাকা সেইভ করা কি খুব কঠিন কাজ? যারা পারেন আরও বেশী টাকা সেইভ করা শুরু করুন। কিভাবে সেভিংস করতে পারেনঃ
১। যারা সিগারেট খান, ছেড়ে দিন এটা আপনার জীবনে কোন কিছু যোগ করবে না বিয়োগ ছাড়া। ঐ টাকাটা সেইভ করুন।
২। আমরা জানি অনেকে প্রেম করে গিফট দিয়ে অনেক টাকা নষ্ট করেন, ৫ টা বছর পরিশ্রম করে নিজের ক্যারিয়ারটা একটা শক্ত অবস্থানে দাড় করান, জীবনে প্রেমের অভাব হবে না। প্রেম আপনাকে খুঁজবে। ঐ সময় ও টাকাটা সেইভ করুন।
৩। বন্ধুদের সাথে আড্ডার দরকার আছে, কিন্তু এমন বন্ধুদের সাথে মিশুন যারা আপনার মনের মত ও যারা আপনার জীবনে ভালো কিছু অ্যাড করতে পারবে। বন্ধু নির্বাচন ক্যারিয়ারে অনেক বড় ভুমিকা রাখে। বন্ধুদের সাথে অকারনে আড্ডা দিয়ে খরচ না করে তা সেইভ করতে পারেন।
৪। যতোটুকু দরকার ততটুকু বলুন, অকারনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইলে কথা না বলে, ঐ সময় ও অর্থটুকু সেইভ করুন।
৫। ছোট বড় সখের জিনিষটা এখনি না কিনে ক’বছর অপেক্ষা করুন আরও বড় কোন শখ পূরণ করার জন্য, বরং ঐ ফান্ড সেইভ করুন।
৬। বাংলাদেশে সারা বছর নানান দিবস থাকে, ঈদ, বৈশাখ, বাবা/মা দিবস, ভালোবাসা দিবস, বিজয় দিবস, ভাষা দিবস, পূজা, আমের সিজন ইত্যাদি দিবস ও সময়কে মাথায় রেখে আপনি ছোট ছোট বিজনেস প্ল্যান করতে পারেন এবং ব্যবসার হাতে-খড়ি নিতে পারেন। তাতে আপনার বিজনেস শেখা যেমন হবে তেমনি কিছু লাভও আসবে – যা আপনি সেইভ করতে পারেন।
৭। আগামী এক বছর প্রতিদিন ২-৪ ঘণ্টা সময় বের করে একটা টিউশানি বা পার্ট টাইম জব (রেস্টুরেন্ট, ফার্নিচারের দোকান, আইটি ফার্ম, যে কোন মার্কেটিং, ডেলিভারি সার্ভিস ইত্যাদি) শুরু করুন আজ থেকেই। এই টাকাটা সেইভ করুন।
আমি নিশ্চিত ১ বছরে আপনি ছোট করে শুরু করার মত একটা মূলধন জমিয়ে ফেলতে পারবেন সহজেই। খুব ছোট কিছু শুরু করার জন্য এটা হতে পারে আপনার প্রাথমিক মুল্ধন।
ব্যবসা শুরু করতে অনেক টাকা লাগে এই ধারণাটা ভুল! এই ছোট ছোট উদ্যোগ থেকে একদিন হবে অনেক বড় একটা প্রতিষ্ঠান।
গল্পের শুরুটা এখান থেকেই শুরু...
Md.samsuldewun
Saturday, February 5, 2022
কিন্তু কিভাবে, পড়াশুনার পাশাপাশি কি কি করতে হবে আগামী ৪ বছর?
গ্র্যাজুয়েশানের ৪ বছরে নিজেকে কিভাবে তৈরি করবেন, যাতে গ্র্যাজুয়েশান যেদিন শেষ হয় সেদিনই যেন আপনার চাকরী বা ব্যবসা রেডি থাকে!
কিন্তু কিভাবে, পড়াশুনার পাশাপাশি কি কি করতে হবে আগামী ৪ বছর?
১। প্রথম বছর স্বপ্ন দেখবেন আপনি কি হতে চান এবং নিজেকে কোথায় নিয়ে যেতে চান, যেই অনুযায়ী আপনার প্রতিদিনের মেলা মেশার সার্কেল তৈরি করবেন। কলেজে বা ইউনিভার্সিটিতে যত সৃজনশীল ক্লাব ভলান্টিয়ারিং বা প্রোগ্রাম আছে সব কিছুতে যোগ দিবেন।
২। দ্বিতীয় বছর পড়াশুনার ফাঁকে ফাঁকে বেসিক ৪ টা স্কিলস শিখে ফেলবেন ৩ মাস করে সময় নিয়ে ঃ
- কথা বলার জড়তা কাটানো ও প্রেজেন্টেশান স্কিলস,
- ইংরেজিতে কথা বলা, শোনা ও লিখার দক্ষতা,
- বেসিক কম্পিউটার স্কিলস – মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট, ইমেইল, ফেইসবুক পেইজ ম্যানটেইন ইত্যাদি
- যে কোন একটা টেকনিক্যাল স্কিলস – ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স, ভিডিও এডিটিং, ফ্রিলাঞ্চিং ইত্যাদি
- শুরু করবেন নেটওয়ার্কিং প্রতিনিয়ত।
- ভলান্টিয়ারিং চলবে...
৩। তৃতীয় বছর পড়াশুনার ফাঁকে ফাঁকে ৩-৪ ঘণ্টা করে পার্টটাইম কাজ শুরু করবে, কত টাকা পেলেন ভাববে না, কাজ শিখাটাকে সবার আগে দেখবে, যেমন ঃ রেস্টুরেন্ট/ফাস্ট ফুড পার্টটাইম সার্ভিস, ই-কমার্স কোম্পানিতে পার্ট টাইম জব, ইলেক্ট্রনিক পণ্যের শো রুম বা কোন দোকানের সেলসম্যান, পাঠাও, পণ্য ডেলিভারি, হোম ডেলিভারি, টিউশানি ইত্যাদি। এবং কিছু টাকা জমাবে মূলধন তৈরি করার জন্য।
৪। চতুর্থ বছরে যা যা করবে - সারা বছর নানান দিবস থাকে, ঈদ, বৈশাখ, বাবা/মা দিবস, ভালোবাসা দিবস, বিজয় দিবস, ভাষা দিবস, পূজা, আমের সিজন ইত্যাদি দিবস ও সময়কে মাথায় রেখে আপনি ছোট ছোট পার্ট টাইম বিজনেস প্ল্যান করতে পারেন এবং ব্যবসার হাতে-খড়ি নিতে পারেন। তাতে আপনার বিজনেস শেখা যেমন হবে তেমনি কিছু লাভও আসবে।
ভেবে দেখুন ৪ বছরে আপনার সিভি টা কত লম্বা হয়ে গেছে, আপনাকে কারো বলার সাধ্য আছে, যে আপনার কোন কাজের অভিজ্ঞতা নেই?!! আপনি অন্য যে কাছ থেকে এগিয়ে থাকবেন। শুধু সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরী পাওয়া ও উদ্যোক্তা হবার দিন শেষ!
আপনার গ্রেজুয়েশান শেষ করার আগেই আপনার চাকরী বা ব্যবসা রেডি থাকবে।
আর আপনি ভাবছেন আপনার ৪ বছর তো আগেই শেষ হয়ে গেছে, অনেক কিছুই করা হয় নি, আজই শুরু করুন, দেরী করলে আরো দেরী হয়ে যাবে।
আমাদের একটা জীবনের (গড় আয়ু ৭২ বছর ধরে) -
২৩ টা বছর শুধু ঘুমিয়েই কাটাই,
৭ বছর খেতে চলে যায়,
৮ বছর বাথরুমে কাটাই আর
১০ বছর কাটে যানজটে
কাজ (পড়াশুনা, চাকরী/ব্যবসা) আর বিনোদন ও অন্যান্য কাজের জন্য থাকে মাত্র ২৪ বছর !!!
পৃথিবীর সব মানুষের জন্য ২৪ ঘণ্টায় ১ দিন, কেউ সময়কে কাজে লাগিয়ে সফল হন আবার কেউ সময় আছে ভেবে ভেবে পিছিয়ে পড়েন বা বার্থ হন। একদিন সময় আর তাকে সময় দেয় না।
একই ক্লাসে শিক্ষক সব ছাত্রের জন্য একই লেকচার পড়ান, কেউ ফার্স্ট সেকেন্ড থার্ড হন, কেউ জিপিএ ৫ পান। আবার এমনও আছে, যে লাস্ট বেঞ্চে বসে সব সময়, একদিন সেইই হয়তো ঐ জিপিএ ৫ পাওয়া স্টুডেন্টকে চাকরী দেয় (এটা ব্যতিক্রম)। কারণ সে পরবর্তীতে কোন কোন কোন স্বপ্নের বৃষ্টিতে ভিজে এবং ব্যাপক লেগে থেকে তা পূরণ করার জন্য।
কেউ প্রেমকে ইন্সপিরেশান হিসেবে নিয়ে সফল হয়, আবার কেউ প্রেমে বেশী সময় দিয়ে বা প্রেমে বার্থ হয়ে স্বপ্নের ক্যারিয়ারটা হারায়।
কেউ ভাল বন্ধুদের সাথে মিশে স্বপ্নের দেখা পায়, আবার কেউ খারাপ বন্ধুদের সাথে মিশে স্বপ্ন হারায় !
...... প্রতিটি দিন খুবই মূল্যবান, কিছু না করে একটা দিন কাটিয়ে দিলেন তো পিছিয়ে পড়লেন।
মোঃ সামসুল দেওয়ান
Friday, February 4, 2022
নিজেকে এই প্রশ্ন গুলো করেন – প্রতিদিনঃ
নিজেকে এই প্রশ্ন গুলো করেন – প্রতিদিনঃ
প্রতিদিন কত ঘণ্টা ফেইচবুক চালান?
কতক্ষণ ফোন এ কথা বলেন?
কতক্ষণ টিভি দেখেন?
কতক্ষণ আড্ডা দেন?
কতক্ষন খেলাধুলা করেন?
কতক্ষণ বই পড়েন?
যাতায়াতে কতক্ষণ?
কতক্ষণ ঘুমান?
পড়াশুনা/অফিস কতক্ষণ করেন?
হিসেব করলে দেখবেন, খুব সহজেই আপনি প্রতিদিন ৪ ঘণ্টা সময় বের করতে পারবেন।
এই ৪ ঘণ্টায় প্রতিদিন কিছু না কিছু পার্ট টাইম কাজের চেষ্টা করুন - শুরু করুন আপনার বিজনেসের প্রাথমিক মুল্ধন জমানো। এটা শুরু করা দরকার ছাত্র জীবন থেকেই।
ছাত্র জীবন হচ্ছে রিস্ক নেয়ার সবচেয়ে উত্তম সময়। সংসার, সন্তান ও পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে এসে গেলে গেলে মানুষ রিস্ক নিতে একটু ভয় পায়! রিস্ক অবশ্যই নিবেন, তবে সেটা হতে হবে শিখে এবং ক্যালকুলেটিভ।
পড়াশুনার বাইরে আপনি আর কি কি কাজ জানেন? কি কি দক্ষতা নাই এবং কি কি আরও শেখা দরকার - এটা নিয়ে কাজ শুরু করুন এখনই। দক্ষতা ছাড়া শুধু সার্টিফিকেট আগামীতে চাকরী বা ব্যবসা কিছুই করা যাবে না।
আপনারা কে কে কথা বলার জড়তা কাটাতে চান?
কথা বলার জড়তা কাটানোর কর্মশালা শুরু হল আজ থেকে, চলবে টানা আগামী ৩০ দিন। তবে কেউ যদি কোন দিন মিস করেন ৪৫ দিন পর্যন্ত ভিডিও করতে পারবেন। এর পর আর ভিডিও এপ্প্রভ হবে না। আবার করতে চাইলে, পরের ব্যাচে আবার শুরু করতে পারবেন।
কথা বলার জড়তা কাটাতে পারলেঃ
১। খুব সহজেই কারো সাথে পরিচিত হতে আগ্রহী হবেন,
২। খুব সহজেই কাউকে কোন কিছু বোঝাতে পারবেন
৩। আপনার প্রেজেন্টেশান স্কিল বাড়বে, যা আপনার সেলস বাড়াতে, লোণ নেয়ার জন্য, ইনভেস্টর নেয়ার জন্য ও লিডারশীপের জন্য ব্যাপক কাজে দিবে বিজনেসে ।
প্রথমেই আপনাকে আগে স্বীকার করতে হবে যে আপনার এখানে দুর্বলতা আছে এবং তা আপনি দূর করতে চান।
৩০ দিনের অনুশীলনঃ
বিষয়ঃ প্রতিদিনের সেশান
1. আপনার পরিচয় ১ মিনিটে
2. প্রতিদিনের সেশানটা জোরে জোরে পড়তে হবে, আগে ৩-৪ বার পড়বেন, লাইভ/ভিডিও করার আগে
3. তারপর ওটা লাইভ করবেন গ্রুপে, প্রথমে পড়বেন দেখে দেখে তারপর ৩ মিনিটে ওটা নিয়ে আপনি কি বুঝেছেন তা বলবেন।
4. নিজে বার বার শুনবেন কোথায় কোথায় উচ্চারনে ভুল হল বা আরও ভালো করা উচিৎ
5. একটু কনফিডেন্স, একটু মুখে হাসি, মুখে একটু আলো রেখে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে কথা বলবেন।
6. গ্রুপে আপনার বন্ধুরাও ভুল গুলো ধরিয়ে দিবেন, তবে সমালোচনা নয়, উৎসাহ দেয়া
7. লজ্জা এবং ভয় পুরোপুরি বাদ দিতে হবে, যে যা ইচ্ছে বলুক, নিজেকে বলুন – আমাকে পরিবর্তন করতে হবেই
8. ১ম থেকে ১১ ব্যাচের সবাই এই ভিডিও বা লাইভ করতে পারবেন, নিজেকে পরিবর্তন করার জন্য।
9. এভাবে টানা ৩০ দিন চলবে, একদিন মিস করা যাবে না।
10. সেশানের বাইরে কোন টপিক নিয়ে ভিডিও বা লাইভ না করার জন্য অনুরুধ করা হল।
যারা ইতিমধ্যে গত ৫ ব্যাচে এই কর্মশালা করেছে তাঁদের কথা বলার পরিবর্তন আপনারাই দেখতে পাচ্ছেন, এবং এটা আপনাদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
যারা এটা ৩০ দিন টানা অনুশীলন করবেন, আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারি আপনার কথা বলার জড়তা থাকবে না এবং আপনি নিজেকে চিনতে পারবে না - এতোটাই বদলে যাবেন।
কম্পিউটার সামগ্রী বিক্রি করার ব্যবসা/Businesses to sell computer content
কম্পিউটার কম্পিউটার সামগ্রী বিক্রি করার ব্যবসা যেহেতু বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তির দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে তাই এই সেক্টর কে কেন্দ্র করে যে কোন ...
Popular Posts
-
যা যা শেখানো হবে আগামী ৯০ দিনের প্রতিটি ব্যাচে বিনামূল্যে অর্থাৎ কোন ফী ছাড়া? ১। উদ্যোক্তা হবার মানসিক প্রস্তুতি ও অনুপ্রেরণা ২। স্বপ্ন দেখ...
-
পরিশ্রম ছাড়া সাফল্য আসে না। জিবনে সাফল্য লাভ করতে হলে আমাকে আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে। তবে আমার আপনার তিনটি জিনিশ থাকলে আমরা সফলতা লাভ করবো ...
-
ফলের জুসের দোকান wlifepoint.com অল্প টাকায় লাভজনক এবং স্মার্ট ব্যবসা করতে চাইলে আপনি ফলের জুসের দোকান দিতে পারেন। ফলের জুসের দোকান এর জায...
