সফলতা হচ্ছে ৪ “স” – সুশিক্ষা, সুস্বাস্থ্য, সুখ ও সম্পদ।
এই ৪টি যখন একসাথে আপনার জীবনে চলমান থাকে তখন আপনি সফল। এই ৪টির ১টিও অনুপস্থিত মানে আপনি সফল নন।
একটা মানুষের জীবনের সফলতার পিক আওয়ার হচ্ছে ২২-৫৫ বছর (কমবেশি হতে পারে), তাই এটা ভাবা উচিৎ নয় যে আপনি সবসময় সফল থাকবেন – এটা বাস্তবও নয়, সম্ভবও নয়।
উপরে উঠলে নিচে নামতেই হবে, নিচে নামা মানে নেমে যাওয়া নয়, আবার উঠার জন্য বিশ্রাম নেয়া। সফলতা এঞ্জয় করারও সময় দরকার। একজন প্রতিনিয়ত সফল মানুষ কখনো তার সফলতা এঞ্জয় করতে পারে না।
সুতরাং শুধু সম্পদ, বাড়ী-গাড়ী বা টাকা বা বড় চাকরী বা বড় বিজনেস মানেই সফলতা নয়। আপনার অনেক টাকা আছে কিন্তু কোনদিন কোন মানুষের জন্য কিছু করেননি বা করার সুযোগ হয়নি – এটাকে সফলতা বলে না। এটা দিয়ে আপনার জীবনে কোনদিন গল্প লেখা হবে না।
আপনি জীবনে যদি আপনি অন্তত একটা মানুষেরও কোন কাজে না আসেন, বা তার জীবন গড়তে এতটুকু সাহায্য না করেন বা একটা অসহায় বাচ্চার লেখাপড়ার দায়িত্ব না নেন, বা অন্তত এক ব্যাগ রক্ত দিয়ে কারো জীবন না বাঁচান – এই জীবন বেঁচে থাকা নয়!
আপনার সুশিক্ষা আছে, সম্পদও আছে কিন্তু স্বাস্থ্য ভালো নেই, নিজের শরীরের যত্ন নেন না, আপনি কোনদিন সুখ পাবেন না। সুতরাং কাজ করতে হলে সব সময় শরীরের যত্ন নিতে হবে। আর শুধু শিক্ষা নয় দরকার সুশিক্ষা।
জীবনের সবচেয়ে বড় সফলতা হচ্ছে খুশি থাকা। আর একজন ভালমানুষই জীবনে বেশীর ভাগ সময় খুশী থাকতে পারে।
বিজনেসের মূলধন বা ফান্ড কিভাবে জোগাড় করবেন?
প্রথমেই ব্যয় থেকে সঞ্চয় ঃ
স্টার্টআপ ফান্ডিং আইডিয়া ১ – ডেইলি সেভিংস
প্রতিদিন ১০০ বা ২০০ টাকা সেইভ করা কি খুব কঠিন কাজ? যারা পারেন আরও বেশী টাকা সেইভ করা শুরু করুন। কিভাবে সেভিংস করতে পারেনঃ
১। যারা সিগারেট খান, ছেড়ে দিন এটা আপনার জীবনে কোন কিছু যোগ করবে না বিয়োগ ছাড়া। ঐ টাকাটা সেইভ করুন।
২। আমরা জানি অনেকে প্রেম করে গিফট দিয়ে অনেক টাকা নষ্ট করেন, ৫ টা বছর পরিশ্রম করে নিজের ক্যারিয়ারটা একটা শক্ত অবস্থানে দাড় করান, জীবনে প্রেমের অভাব হবে না। প্রেম আপনাকে খুঁজবে। ঐ সময় ও টাকাটা সেইভ করুন।
৩। বন্ধুদের সাথে আড্ডার দরকার আছে, কিন্তু এমন বন্ধুদের সাথে মিশুন যারা আপনার মনের মত ও যারা আপনার জীবনে ভালো কিছু অ্যাড করতে পারবে। বন্ধু নির্বাচন ক্যারিয়ারে অনেক বড় ভুমিকা রাখে। বন্ধুদের সাথে অকারনে আড্ডা দিয়ে খরচ না করে তা সেইভ করতে পারেন।
৪। যতোটুকু দরকার ততটুকু বলুন, অকারনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইলে কথা না বলে, ঐ সময় ও অর্থটুকু সেইভ করুন।
৫। ছোট বড় সখের জিনিষটা এখনি না কিনে ক’বছর অপেক্ষা করুন আরও বড় কোন শখ পূরণ করার জন্য, বরং ঐ ফান্ড সেইভ করুন।
৬। বাংলাদেশে সারা বছর নানান দিবস থাকে, ঈদ, বৈশাখ, বাবা/মা দিবস, ভালোবাসা দিবস, বিজয় দিবস, ভাষা দিবস, পূজা, আমের সিজন ইত্যাদি দিবস ও সময়কে মাথায় রেখে আপনি ছোট ছোট বিজনেস প্ল্যান করতে পারেন এবং ব্যবসার হাতে-খড়ি নিতে পারেন। তাতে আপনার বিজনেস শেখা যেমন হবে তেমনি কিছু লাভও আসবে – যা আপনি সেইভ করতে পারেন।
৭। আগামী এক বছর প্রতিদিন ২-৪ ঘণ্টা সময় বের করে একটা টিউশানি বা পার্ট টাইম জব (রেস্টুরেন্ট, ফার্নিচারের দোকান, আইটি ফার্ম, যে কোন মার্কেটিং, ডেলিভারি সার্ভিস ইত্যাদি) শুরু করুন আজ থেকেই। এই টাকাটা সেইভ করুন।
আমি নিশ্চিত ১ বছরে আপনি ছোট করে শুরু করার মত একটা মূলধন জমিয়ে ফেলতে পারবেন সহজেই। খুব ছোট কিছু শুরু করার জন্য এটা হতে পারে আপনার প্রাথমিক মুল্ধন।
ব্যবসা শুরু করতে অনেক টাকা লাগে এই ধারণাটা ভুল! এই ছোট ছোট উদ্যোগ থেকে একদিন হবে অনেক বড় একটা প্রতিষ্ঠান।
গল্পের শুরুটা এখান থেকেই শুরু...
Md.samsuldewun
No comments:
Post a Comment
please valldate tha captcha